মেইন ম্যেনু

১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী চিত্রনায়ক জসিমের

৮ অক্টোবর ২০১৫, দেশীয় চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ নায়ক জসিমের ১৭তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৯৮ সালের এই দিনে নায়ক জসিম মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে অ্যাকশনের প্রবর্তক জসিম। তিনি ছিলেন একজন মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধের পর হঠাৎ কী খেয়াল হলো নেমে পড়লেন চলচ্চিত্রে। প্রথমে খলনায়ক, তারপর নায়ক। কোনো খলনায়কের নায়ক হিসেবে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে উঠার দৃষ্টান্ত আমাদের চলচ্চিত্রে দ্বিতীয়টি নেই।

এরপর খলনায়ক হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন একক রাজত্ব করেন ঢালিউডে। ‘বারুদ’ ‘আসামী হাজির’, ‘ওস্তাদ সাগরেদ’, ‘জনি’, ‘কুরবানী’ প্রভৃতি ছবিতে নিজেকে মেলে ধরেন।

আজমল হুদা মিঠু পরিচালিত ‘দোস্ত দুশমন’ ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে আবির্ভাব। দোস্ত দুশমন হিন্দি ‘শোলে’ ছবির রিমেক। এখানে জসিম গব্বর সিং’য়ের খলনায়ক চরিত্রটি রুপদান করেন।

আশির দশকের দিকে পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর ‘সবুজ সাথী’ ছবিতে নায়ক চরিত্রে অভিনয় করে নতুনভাবে আলোড়ন তোলেন।

আশির দশকের সফল ও জনপ্রিয় নায়কদের মধ্যে জসিম অন্যতম। নায়িকা শাবানা ও ববিতার সাথে জুটিবদ্ধভাবে অভিনয় করে সফলতা পান জসিম। নায়ক জসিম অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে তুমুল জনপ্রিয়তা পায় সবুজ সাথী, জিদ্দী, স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ, দুশমন,গরীবের ওস্তাদ, টাইগার প্রভৃতি ছবি। সবমিলিয়ে প্রায় দুই’শ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন জসিম।

তার মৃত্যুর পর এফডিসির সর্ববৃহৎ ২ নং ফ্লোরকে জসিম ফ্লোর নামকরণ করা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই