মেইন ম্যেনু

১৯ সালের নির্বাচন হবে আরো নিকৃষ্ট : গয়েশ্বর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ইদানিং নির্বাচন নিয়ে মিডিয়ায় বাতাস বইছে। আমরা কি করতে পারলাম যে হাসিনা নির্বাচন দেবে? শেখ হাসিনা কি জানেন না নির্বাচন দিলে তার জন্য ১০টা সিটও নেই। তিনি বলেন, ’১৯ সালে যে নির্বাচন হবে তা ’১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের চেয়েও নিকৃষ্ট হবে।

মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ৯ম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা মহানগর বিএনপি।

গয়েশ্বর বলেন, সরকারের নির্বাচনের নামে মুলা ঝুলাইছে। এখন নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের আগে সার্চ কমিটির কথা বলা হচ্ছে। সার্চ কমিটি করবেন প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি। তাহলে এটা নিয়ে আনন্দিত হওয়ার তো কিছু নেই। সব রাজনৈতিক দল থেকে ৫ জন সদস্য রাখা হোক। তাতে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর করবেন। তাহলে এই সার্চ কমিটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে।

তিনি বলেন, তৎকালীন সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী বিএনপি চেয়ারপারসন দেশ ত্যাগ করলে শেখ হাসিনা আজও দেশে আসতে পারতেন না। গণতন্ত্রের জন্য তিনি (খালেদা) ঝুঁকি নিয়েছিলেন। সেই ফল ভোগ করছেন হাসিনা। পরে আঁতাত করে ক্ষমতায় এসেছেন শেখ হাসিনা। এখন তিনি প্রতিবেশীদের কাছে বাংলাদেশকে উজাড় করে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করছেন।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে তিনি বলেন, ভারতের চারটি জায়গা থেকে এই প্রকল্প রিজেক্ট করেছে পশ্চিমবঙ্গের সরকার। সর্বশেষ শিংলয়ে করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। দাদাদের সন্তুষ্ট রাখতে না পারলে ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না তাই সুন্দরবন তথা দেশের ক্ষতি করে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছেন।

বিএনপির এই নেতা বলেন, যখন সরকারকে বাধ্য করতে পারবো তখন নির্বাচন দেবে এই সরকার। ভয়কে জয় করতে পারলে কেউ আর ভয় দেখাতে পারবো না। রাজনীতিতে যখন নাম লিখিয়েছি তখন জনগণের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছি। জনগণের জন্য কাজ করতে পারলে তারা সরকারকে উচিত শিক্ষা দেবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মির্জা আব্বাসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এতে আরো বক্তব্য রাখেন স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, মো. শাজাহান প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই