মেইন ম্যেনু

২০টি পারমাণবিক বোমা বানাতে সক্ষম উত্তর কোরিয়া

উত্তর কোরিয়া এ বছরের শেষ নাগাদ ২০টি পারমাণবিক বোমা বানানোর সক্ষমতায় পৌঁছাবে।

অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের ধারণামতে, উত্তর কোরিয়া যে পরিমাণ ইউরেনিয়াম মজুত করেছে এবং প্লুটোনিয়াম সংগ্রহ করছে, তাতে বছর শেষে তাদের কাছে এ পরিমাণ পারমাণবিক বোমা বানানোর সরঞ্জাম থাকবে।

আলজাজিরা অনলাইনের এক খবরে বুধবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উত্তর কোরিয়া অভিযোগ করেছে, যুক্তরাষ্ট্র কোরীয় উপদ্বীপকে ‘বিস্ফোরণের মুখ’ বানাতে চাইছে। দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশে যুক্তরাষ্ট্র দুটি সুপারসনিক বি-১ বোমারু বিমান উড়ানোর পর এ অভিযোগ করে তারা। আর এর পরই অস্ত্র বিশেষজ্ঞরা উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক বোমা বানানোর সক্ষমতার বিষয়ে এ তথ্য হাজির করলেন।

গত সপ্তাহে উত্তর কোরিয়া তাদের পঞ্চম পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। এরপর যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ার আকাশে বি-১ ল্যান্সার ওড়ায়। উত্তরের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জবাবে দক্ষিণ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে, পারমাণবিক বোমা হামলার পাঁয়তারা চালালে রাজধানী পিয়ংইয়ং সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

গত এক দশক ধরে উত্তর কোরিয়ার ওপর পরমাণু কার্যক্রম চালানোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। তারপরও দেশটি নিজেদের সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অস্ত্র বিশেষজ্ঞদের মতে, বছরে ছয়টি পারমাণবিক বোমা বানাতে সক্ষম উত্তর কোরিয়া। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বিচ্ছিন্ন ও গোপন এই দেশের পরমাণু কার্যক্রম সম্পর্কে সঠিক ধারণায় পৌঁছানো সত্যিই দুরূহ।

দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি, পিয়ংইয়ং আরো একটি পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাতে যাচ্ছে। তাই যদি হয়, তাহলে তাদের এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সরঞ্জামের অভাব নেই।

উত্তর কোরিয়ার পরমাণু কার্যক্রম বিষয়ে বিশেষজ্ঞ সিগফ্রাইড হেকার জানিয়েছেন, সম্ভবত তারা খুব দ্রুত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ করছে। বছরে ১৫০ কিলোগ্রামের মতো ইউরেনিয়াম মজুত করছে তারা।

মিডলবারি ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের গবেষক জেফরি লিউস জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়া ইউরেনিয়াম ও প্লুটোনিয়াম দুই-ই মজুত করছে এবং তা প্রক্রিয়াকরণ হচ্ছে ইয়ংবিয়নের এক অথবা দুটি পরমাণু চুল্লিতে।






মন্তব্য চালু নেই