মেইন ম্যেনু

২৭ ঘণ্টা পর টঙ্গীর আগুন নিয়ন্ত্রণে

টঙ্গীর বিসিক শিল্প নগরীতে শনিবার সকালে টাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেড কারখানায় বয়লার বিস্ফোরণে লাগা আগুন ২৭ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে এসেছে। তবে সকাল ৯টার দিকেও ওই কারখানার পাঁচতলা থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা গেছে।

এদিকে, পাঁচতলা ভবনের বিভিন্ন অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। এটি যে কোনো সময় ধসে পড়তে পারে বলে ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তারা মনে করছেন।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক জরিুল আমিন মিয়া সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। পুরোপুরি নিভে গেলে ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু হবে।

ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক লে. কর্নেল মোশারফ হোসেন শনিবার রাতে সাংবাদিকদের বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিস কাজ করে যাচ্ছে। তবে আশপাশের ভবনগুলোকে রক্ষা করতে আমরা ডিফেন্সিভ মেথড ফলো করছি।

তিনি বলেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ২৬টি ইউনিট কাজ করছে। এর সঙ্গে দুটি হাইরাইজ ভেহিকল রয়েছে, যার একটি বীমা ইউনিট ও অন্যটি স্নরকেল। পাশাপাশি তিনটি লাইটিং ইউনিটও আমাদের সঙ্গে কাজ করছে। কারখানার চারটি ভবনেই আগুন লেগেছিল। এর মধ্যে তিনটির আগুন আমাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছি। পাঁচতলার একটি ভবনের আগুন আমাদের নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

তিনি বলেন, যখন আগুন কম ছিল তখন আমরা দেখেছি, ভেতরে অনেক কাগজ, রোল মজুদ ছিল। কিছু ফুয়েলও আছে। যা দাহ্য পদার্থ এবং থেকে থেকে জ্বলে উঠছে।

তিনি জানান, বুয়েটের দুজন ইঞ্জিনিয়ার, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ইঞ্জিনিয়ার ও রাজউকের ইঞ্জিনিয়াররা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তাদের সবার সমন্বয়ে একটি টিম তৈরি করা হয়েছে। তাদের পরামর্শে এখন পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

ওই টিমের অভিমত হলো, পাঁচতলা ভবনও যেকোনো সময় ধসে যেতে পারে। তাই ফায়ার সার্ভিসের টিম যেন নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান নেয়। পাশাপাশি আমাদের পক্ষ থেকে সাধারণ জনগণকে পরামর্শ দেব যেন তারা নিরাপদ জায়গায় অবস্থান নেয়।

তিনি জানান, বিভিন্ন কারখানায় অ্যামোনিয়াম জাতীয় গ্যাস সংরক্ষণ করে রাখা হয়। কিন্তু এখানে এ ধরনের গ্যাস আমরা শনাক্ত করতে পারিনি। তবে এখানে এমন কিছু কেমিকেল ছিল যা বিস্ফোরণে সহায়তা করে।






মন্তব্য চালু নেই