মেইন ম্যেনু

৪০ বছরেও বঙ্গবন্ধুকে সর্বজনীন করা গেল না

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ৪০ দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। কর্মসূচির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুকে দল, মত ও আদর্শের ঊর্ধ্বে সকল মানুষের কাছে সর্বজনীন করার ঘোষণা দেন দলটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। এই কর্মসূচির ৯০ শতাংশ সফল হয়েছে বলে দলটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। কর্মসূচি সফল হলেও বঙ্গবন্ধুকে সর্বজনীন করা সম্ভব হয়েছে কিনা তা নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে।

রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, আওয়ামী লীগের মাধ্যমেই এবার বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করা হয়েছে, সব দলকে সঙ্গে নিয়ে নয়। যদিও ৪০ দিনের কর্মসূচি ঘোষণাকালে দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ বলেছিলেন, এবার বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী সর্বজনীনভাবে পালন করা হবে। বঙ্গবন্ধুকে শুধু আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে নয়, দেশের সব মানুষের নেতা হিসেবে শাহাদাতবার্ষিকী পালন করতে হবে।

গত ২৩ জুলাই ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকল গণমাধ্যমের সম্পাদকদের সঙ্গে ওই মুক্ত আলোচনায় তার এ প্রত্যয় বাস্তবায়নের জন্য উপস্থিত সম্পাদকরাও একই মত দেন। তারা এ জন্য বিএনপিকে সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেন। আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান ও মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীসহ অনেকে বলেন, জামায়াতকে বাদ দিয়ে অন্য সব দলকে সঙ্গে রেখে কর্মসূচি পালন করতে হবে।

বঙ্গবন্ধুকে সর্বজনীন করার বিষয়ে কোনো দলের কোনো নেতাই দ্বিমত পোষণ করেননি। তবে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকীতে কোনো কর্মসূচি পালন না করা দলগুলোর নেতাদের দাবি, বঙ্গবন্ধুকে আওয়ামী লীগ দলীয় সম্পদে পরিণত করেছে। সেখান থেকে বঙ্গবন্ধুকে মুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে অন্য জাতীয় নেতাদের সম্মান করতে হবে।

অনেকে মনে করেন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালী জাতির অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তবে ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুকে দলীয় কুঠুরিতে আবদ্ধ করে ফেলে। ফলে বঙ্গবন্ধুর বিরোধিতা করে জাসদের জন্ম হয়েছিল। ১৯৭৪ সালে আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা আইআরআই (ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট) এক জরিপে বলেছিল, বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বিরোধী দল জাসদই বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তা হ্রাস পাওয়ায় বড় ভূমিকা রেখেছে।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর জনপ্রিয়তা নষ্টের মাধ্যমে জাসদই বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পথ প্রশস্ত করেছিল। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করা হতো না বলে আওয়ামী লীগের অভিযোগ। কিন্তু বিগত কয়েক বছর আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি ও বিপক্ষের শক্তির নামে রাজনৈতিক বিভক্তি তৈরি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে, যে বিভক্তি বঙ্গবন্ধুকে সর্বজনীন করার পথে বড় অন্তরায়। বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত ৪০ দিনের কর্মসূচিতে দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ ভোটারের [২০০৮ সালের তথ্যমতে] প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে কোনো কর্মসূচি দেখা যায়নি।

সর্বশেষ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধুর ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকা মহানরগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় গত ৯ সেপ্টেম্বর সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালনে আমরা সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, শিক্ষকসহ সর্বস্তরের মানুষের কাছে আহ্বান জানিয়েছিলাম। আমাদের এই ডাকে সাড়া দিয়ে দেশের ৯০ ভাগ মানুষ জাতির পিতার শাহাদাতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছেন। আশা করি, এমন সময় আসবে যখন সকল দলের নেতাকর্মীরা একসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী পালন করবেন।’

একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এমন স্বপ্ন দেখি- শোক দিবসে আমি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, পাশে বিএনপি, কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা আমরা সবাই মিলে একসঙ্গে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করব। এবার শোক দিবস পালন উপলক্ষে আমাদের নিজেদের মধ্যে আলোচনায় আমরা সিদ্ধান্ত নেই যে, জাতির পিতাকে নিজেদের মধ্যে আটকে রাখা ঠিক হচ্ছে না। কারণ জাতির পিতা কোনো দলের একক সম্পত্তি নয়, তিনি সর্বজনীন। আমরা সর্বজনীনভাবে শোক দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেই।’

এ বছরই প্রথম সর্বজনীনভাবে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী পালিত হয়েছে দাবি করে মন্ত্রী বলেন, ‘অনেক সংগঠন প্রথমবারের মতো শোক দিবস পালন করেছে। আমাদের সর্বজনীনতার আহ্বান এবার পুরোপুরি সফল না হলেও গণজাগরণের সৃষ্টি হয়েছে। অচিরেই বঙ্গবন্ধুর শোক দিবস সর্বজনীনভাবে পালিত হবে।’

সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম গত ৪০ দিনের বিভিন্ন কর্মসূচিতে একাধিক আলোচনায় বঙ্গবন্ধুকে দলীয় কুঠুরিতে বন্দী না রাখারও আহ্বান জানান।

আগস্টের ১ তারিখ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ৪০ দিনের বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আওয়ামী লীগ, আওয়ামী লীগের অঙ্গ-সহযোগী-ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত হিসেবে পরিচিত বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪০তম শাহাদাতবার্ষিকী পালনে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট তিন দিনের কর্মসূচি পালন করে। জাতীয় পার্টি (জেপি) পৃথকভাবে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী পালন করেছে। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরামও জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচিতে যোগ দেয়। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ জাতীয় শোক দিবস পালন করেছে। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি আলোচনা সভার আয়োজন করে।

তবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক কোনো দল বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে কোনো কর্মসূচি পালন করেনি। তা ছাড়া বৃহত্তর দুই দলের নেতৃত্বাধীন দুই জোটের বাইরে অবস্থানকারী দলগুলোর অনেকেই বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকীতে কোনো কর্মসূচি পালন করেনি।

বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও দলটির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, বিএনপি সমঝোতার রাজনীতি তার জন্মলগ্ন থেকেই করে আসছে। সমঝোতার রাজনীতির প্রয়োজনেই বিএনপির জন্ম হয়েছিল। আমাদের দল, দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বেশ কিছুদিন আগে থেকেই জাতীয় ঐক্যের রাজনীতির আহ্বান জানিয়ে আসছেন। এতে আমরা সাড়া পাইনি, সরকারি দমন-নিপীড়ন চলছে। সরকার ও অন্যরা সাড়া না দিলে ও সহযোগিতা না করলে বিএনপি এককভাবে সমঝোতার রাজনীতি করতে পারবে না।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকীর দিনে খালেদা জিয়ার জন্মদিনের কেক না কাটার আহ্বান তো আপনারা সেভাবে মানেননি— এমন প্রশ্নের জবাবে আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) জন্মদিনের কেক কাটা না কাটায় কোনো সমস্যা না। বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেমন শেখ মুজিবুর রহমানের অবদান আছে, তেমনি জিয়াউর রহমানের অবদানও মানতে হবে। পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমে এ বিষয়গুলো নির্ধারিত হলে এক সময় শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী সর্বজনীনভাবে পালিত হবে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) রুহুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘আমি এই ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করব না। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে কারও কোনো আপত্তি নেই। কিন্তু উনারা তো বঙ্গবন্ধুকে আওয়ামী লীগের সম্পত্তি বানিয়ে ফেলেছেন। এটা আপনারাও জানেন, আমরাও জানি।’

২০ দলীয় জোটের শরিক দল জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান বলেন, ‘আমি সৈয়দ আশরাফের এই অভিপ্রায়কে সাধুবাদ জানাই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে যে, একতরফা প্রেম হয় না, দুই পক্ষের সম্মতি প্রয়োজন। মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জিয়াউর রহমানকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই। আওয়ামী ঘরানার গণ্ডির মধ্যেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এখনো বন্দী। ৪০ দিনের কর্মসূচিতেও সেই শিকল তারা ভাঙতে পারেননি। সকল জাতীয় নেতাকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।’

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার পরে আওয়ামী লীগের সভাপতি থাকা সমীচীন হয়নি। আমি রাজনীতি করি, আমার একটা দল আছে। তার কথা বললে আমার দলের ভোট কমে, আরেক দলের ভোট বাড়ে— এ কথা তো আমি বলব না। এখন দায়িত্ব হচ্ছে আওয়ামী লীগের, বঙ্গবন্ধু যে তাদের দলীয় সম্পদ নয়— এটা তাদের ঘোষণা ও প্রমাণ করতে হবে।’

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশীদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর শাহাদাতবার্ষিকীতে দলীয়ভাবে আমরা কোনো কর্মসূচি পালন করিনি। তবে আমার নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের শোক দিবসের ২৭টি অনুষ্ঠানে আমি প্রধান অতিথি ছিলাম। বঙ্গবন্ধুর বিষয়ে হীনম্মন্যতা ছাড়তে হবে। মনে করতে হবে শ্রেষ্ঠ বাঙালী সন্তান বঙ্গবন্ধু, যিনি এই দেশটা স্বাধীন করে দিয়ে গেছেন।’

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. মিজানুর রহমান শেলী বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের বঙ্গবন্ধুকে সর্বজনীন করার ঘোষণা অত্যন্ত আনন্দের কথা। প্রথম থেকেই এটা হওয়া উচিত ছিল। এটা না করে দলীয় রাজনীতির বৃত্তে বঙ্গবন্ধুকে আবদ্ধ রেখে যে প্রচেষ্টা চালিয়েছিল তাতে করে স্বার্থকতা আসে না, সেটা আওয়ামী লীগ বুঝতে পেরেছে। বাংলাদেশের স্থপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধুর যে কৃতিত্ব তা অবশ্যই স্বীকার করতে হবে। আওয়ামী লীগকে উদ্যোগ নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কাছে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে বঙ্গবন্ধু কোনো দলীয় নেতা নন, জাতীয় নেতা। তাহলে এটাকে রাজনৈতিক-সামাজিকভাবে সফল করার প্রয়াস পাওয়া যাবে।’

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হায়দার আকবর খান রনো এ বিষয়ে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে সর্বজনীন করা দরকার। সকল বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা উচিত।’

বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া বলেন, ‘আমরা বলেছি মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সর্বজনীন কর, বাস্তবায়ন কর। তাহলে স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধের নেতা যে তিনি, তা সর্বজনীন হয়ে উঠবে। সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করার মধ্য দিয়ে নেতৃত্বের সর্বজনীনতা তৈরি হতে পারে। উল্টো কাজ করলে এ সব আনুষ্ঠানিকতা কোনো কাজে আসবে না।’

সাংবাদিক নাঈমুল ইসলাম খান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে সর্বজনীন করার সদিচ্ছা এবং ইতিবাচক উদ্যোগ আছে। কিন্তু আমাদের রাজনীতি এতটাই পরস্পরের প্রতি সন্দেহ ও বিধ্বংসী যে, এই রকম একটা সুন্দর সময় পরিপূর্ণভাবে আসতে সময় লাগবে। কিন্তু আমাদের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এমনো সময় গেছে, যখন বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারিত হতো না। সেই জায়গা থেকে আমরা এগিয়েছি। আমি মনে করি শুধু বিরোধী রাজনৈতিক দল নয়, আমাদের সিভিল সোসাইটিরও দায়িত্ব আছে অগ্রণী ভূমিকা নেওয়ার। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় রাজনীতি নিয়ে জাতীয় সংলাপের মাধ্যমে যখন একটা সামগ্রিক সমঝোতা হবে তখন এটা ত্বরান্বিত হবে। আমি বিশ্বাস করি এ বছর শুরু হয়েছে, আমরা খুব অল্প সময়েই এটা অর্জন করতে পারব। তবে আমাদের কাজ করতে হবে।’ দ্য রিপোর্ট






মন্তব্য চালু নেই