মেইন ম্যেনু

৪০ বছর তার মুখে হাসি নেই

নারী বা পুরুষ যেই হোক না কেন সৌন্দর্য ও তারুণ্য ধরে রাখার চেষ্টা করেন না এমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যাবে। তাই বলে ৪০ বছর ধরে হাসি বন্ধ রেখে! এ কেমন ধরন রূপ চর্চার?

রূপ চর্চা শব্দটি মাথায় এলেই চেখের সামনে ভেসে ওঠে প্রসাধনী সামগ্রির সঙ্গে প্রকৃতির দান ভেষজ উপাদান, ফলমূল এমনকি সবজিও। তবে সৌন্দর্য বা তারুণ্য ধরে রাখতে এসবের কিছুই ব্যবহার করেন না পঞ্চাশোর্ধ নারী টেস ক্রিশ্চিয়ান।

অদ্ভূত এক পদ্ধতি তিনি বেছে নিয়েছেন। আর তা হলো- এক-দুবছর নয়। দীর্ঘ ৪০ বছর হাসেননি টেস ক্রিশ্চিয়ান। এমন নয় যে, তিনি হাসতে জানেন না। স্বেচ্ছায় ৪০ বছর ধরে হাসেন না তিনি।

হাসলেই যদি গালে বলিরেখা পড়ে যায়! আর একবার বলিরেখা পড়ে গেলে বার্ধক্য অবধারিত। তাই নিজের সৌন্দর্য ও যৌবন ধরে রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত টেসের। টেস হাসা বন্ধ করেছেন শৈশব পেরিয়ে কৈশোরে পা দেওয়ার পর থেকেই।

বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, মজা, ছবি তোলার সময়ও কখনো ভুল করেও হাসতে দেখা যায়নি টেসকে। ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসির রেখাও ফোটেনি কখনো। এমনকি, মেয়ের জন্মের পরও স্বভাবে এতটুকু নড়চড় হয়নি টেসের।

অনেকেই তাকে দেখে ভাবেন, তিনি হয়তো বোটক্স করিয়েছেন। টেস জানালেন, কোনো বোটক্স নয়। নিজের মুখের মাংসপেশিকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন তিনি এভাবেই। যা বোটক্স বা যে কোনো ‘অ্যান্টিরিংকল’ ক্রিমের থেকে অনেক বেশি ফলপ্রসু।

আর এর ফলে বয়স অর্ধশতাব্দী পেরোলেও অটুট রয়েছে তার মুখমণ্ডলের সৌন্দর্য। আর সমবয়সীরা অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকেন টেসের দিকে।






মন্তব্য চালু নেই