মেইন ম্যেনু

৪ বউ, ৪০ বাচ্চা মানা যায় না: সাক্ষী

ফের বিতর্কিত মন্তব্য সাক্ষী মহারাজের। প্রতক্ষ্যদর্শীদের দাবি, উত্তরপ্রদেশের মেরঠে একটি মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরাসরি নাম না করে দেশের একটি নির্দিষ্ট সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন এই বিজেপি সাংসদ। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই উত্তরপ্রদেশসহ পাঁচ রাজ্যের ভোটের সূচি ঘোষণা করে দিয়েছে। তারপর থেকে মডেল আচরণবিধিও চালু হয়ে গেছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনতার দাবি, সাক্ষী নাকি বলেছেন, ‘হিন্দুরা ‌দেশে জনবিস্ফোরণের জন্য দায়ী নন। যাঁরা ৪ জন স্ত্রী, ৪০টি সন্তান চান, জনসংখ্যা বাড়ছে তাঁদেরই জন্য।

মায়েরা সন্তান উৎপাদনের যন্ত্র নন। হিন্দু বা মুসলিম যিনিই মা হন না কেন, তাঁকে সম্মান দিতেই হবে। ’

অনেকেই মনে করছেন, সরাসরি নাম না করলেও মুসলিমদের সম্পর্কেই ওই মন্তব্য করেছেন সাক্ষী। পাশাপাশি, তিন তালাক প্রথার অবসান ঘটিয়ে যত দ্রুত সম্ভব অভিন্ন দেওয়ানি বিধি চালুর দাবি জানান সাক্ষী। ‌ সমালোচনায় সরব হয়েছেন কংগ্রেস নেতা কে সি মিত্তল।

তিনি বলেন, ‘‌সাক্ষীর এ ধরনের ধর্ম এবং জাত নিয়ে করা মন্তব্য অত্যন্ত আপত্তিকর। কংগ্রেস সাক্ষীর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ জানাবে। ’‌ ইতিমধ্যেই মামলা করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও এই ঘটনায় দায় এড়াচ্ছে বিজেপি। দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা মুখতার আব্বাস নকভি জানিয়ে দিয়েছেন, সাক্ষীর মন্তব্যকে বিজেপি’র অবস্থান বলে দেখা ঠিক হবে না।

আর সাক্ষী নিজে কী বলছেন?‌ তাঁর বক্তব্য, ‘‌কোনও বিশেষ সম্প্রদায়কে নিশানা করে কথাটা বলিনি। আমার মন্তব্য বিকৃত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সামনে দাঁড়াতেও আমি প্রস্তুত। ’ সাক্ষীর বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। দেশে হিন্দু জনসংখ্যা বাড়াতে ২০১৫-র জানুয়ারিতে সব হিন্দু নারীকে অন্তত চারটি সন্তানের জন্ম দেয়ার ডাক দেন তিনি।-আজকাল






মন্তব্য চালু নেই