মেইন ম্যেনু

৫টি উপজেলার একটি কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট ভোগান্তি ঠাকুরগাঁওয়ের বিকাশ গ্রাহক

শরিফুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের ৫টি উপজেলার মধ্যে বিকাশের একটি মাত্র কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট ঠাকুরগাঁও শহরে। টাকা লেনদেনের জন্য সহজ উপায় হিসেবে জেলার মানুষের কাছে বিকাশ যেমন জনপ্রিয় হয়েছে ঠিক তেমনি কাস্টমার সার্ভিস না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

ঠাকুরগাঁও বিকাশের কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে দেখা যায় অনেক মানুষ লাইন। প্রবেশ করার মতো অবস্থা নেই ভেতরে। সকাল ১০টা থেকে সেবা দেওয়া শুরু করে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেবা দেওয়া হয় কাস্টমার কেয়ারে। কিন্তু বিকাশের একাউন্টে কোনো সমস্যা হলে তা অনেক নিয়ম কানুন মেনে ঠিক করতে হয় যা সাধারণ মানুষের বোধগম্য নয়।

বিকাশ কাস্টমার অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা হরিপুর উপজেলা থেকে আসা মকসেদুল জানান, আমি তিন দিন ধরে হরিপুর থেকে এসেছি। আমার পিন নম্বর লক হয়ে গেছে। প্রথম দিন জাতীয় পরিচয় পত্র নিয়ে আসি নাই তাই ফেরত চলে গেছি। ২য় দিন সার্ভার সমস্যা। আজ আবার এসেছি। দেখি সমাধান না হলে বিকাশ আর চালাবো না।

বালিয়াডাঙ্গি উপজেলা থেকে আসা শামসুল ইসলাম জানান, ভাই মহা সমস্যায় আছি। বিকাশে শেষ কতো টাকা লোড করছি আর কতো টাকা আছে তা না বললে বিকাশ ঠিক হবে না। হামরা মূর্খ মানুষ এত কিছু কি মনে থাকে। ৪ দিন থেকে যাওয়া আসা করতে টাকাও নষ্ট আবার সেবা নিতে গেলে দিনটাও শেষ হয়ে যায়।

ঠাকুরগাঁও শহরের হাজিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মনুসর আলী জানান, আমার বিকাশ একাউন্টটা সিম হারায় যাওয়ার কারণে বন্ধ করেছিলাম। এখন সিম তোলার পরে চালু করার জন্য ৬ দিন ধরে ঘুরছি। যে লোকের ভির একজন কাস্টমার অফিসার দিয়ে এত লোকের সেবা দেওয়া সম্ভব নয়।

এ বিষয়ে বিকাশ কাস্টমার ম্যানেজার মহিদুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলায় একটি কাস্টমার কেয়ার হওয়ায় কাস্টমারের ভিড় বেশি থাকে। তাছাড়া সার্ভারের সমস্যার কারণে সেবা দিতেও সময় লাগে মাঝে মধ্যে।

ঠাকুরগাঁও বিকাশের টেরিটোরি ম্যানেজার শাহেদ পারভেজ জানান, আমি বিষয়টি নিয়ে স্যারদের সঙ্গে কথা বলবো। আর সার্ভারের মাঝে মধ্যে সমস্যা হয়। ঠাকুরগাঁও জেলায় আরো কাস্টমার কেয়ারের প্রয়োজন আছে।






মন্তব্য চালু নেই