মেইন ম্যেনু

৫০ বছর লিভটুগেদার….. অত:পর বিয়ে

ইউরোপ বা আমেরিকা নয়, ভারতের রাজস্থান রাজ্যের ঘটনা। দীর্ঘ ৫০ বছর লিভটুগেদারের পর বিয়ের পিঁড়িতে বসলো যুগল। পাত্র পাবুরা খেরের বয়স এখন ৮০ বছর আর পাত্রী রূপালীর বয়স ৭০।

রীতিমতো গায়ে হলুদ দিয়ে, সাত পাক ঘুরে, লোকজন খাইয়ে শুভবিবাহ সম্পন্ন হলো তাদের।

উদয়পুরের মাণ্ডওয়া পঞ্চায়েতের প্রত্যন্ত গ্রামে প্রথাগত বিয়ে ছাড়াই গত ৫০ বছর ধরে একসঙ্গে থাকেন আদিবাসী সম্প্রদায়ের পাবুরা খের। পাবুরা ও রূপালী ৫০ বছর আগে যখন লিভটুগেদার করার সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাদের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। অনুষ্ঠান করে বিয়ে করা সামর্থ্যে কুলোয়নি। এভাবে একসঙ্গে কেটে গেছে বছরের পর বছর।

এরই মধ্যে তাদের ঘরে এসেছে ৭ সন্তান। ৫ মেয়ে ও ২ ছেলে। ছেলেদের ঘরে নাতির সংখ্যা ১৩। শুধু তাই নয়, বর্তমানে নাতিদের ঘরেও সন্তান এসেছে। চতুর্থ প্রজন্মের ৪ সদস্যকে নিয়ে এখন তাদের পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৩০। এত কিছু হয়েছে, তবে কখনও নিজেদের বিয়ের কথা মাথাতেও আসেনি প্রবীণ এই যুগলের।

তবে, বাবা-মায়ের জীবনের অপূর্ণ স্বাদ পূরণ করলা ছেলেমেয়ে ও নাতি-নাতনিরা। ধূমধাম করে পাবুরা ও রূপালীর বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তারা। গত শনিবার গায়ে-হলুদ রোববার প্রায় ১৫০ জন পাড়া-প্রতিবেশীকে সাক্ষী রেখে সাত পাকে বাঁধা পড়লেন পাবুরা ও রূপালী। কনের ভাইয়েরা করলেন কন্যাদান। শেষ বয়সে হলেও, পরিবারের কল্যাণে বৈবাহিক সম্পর্কে আবদ্ধ হলেন এই যুগল।

অবশ্য আদিবাসীদের মধ্যে এভাবে লিভটুগেদার নতুন কোনো ঘটনা নয়। এটা তাদের সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের সাথে সাংঘর্ষিক নয়।






মন্তব্য চালু নেই