মেইন ম্যেনু

৫৭ বছর পর ওয়েলসের স্বপ্নপূরণ

অনেকেই এসেছেন আবারও চলেও গিয়েছেন। কিন্তু স্বপ্ন পূরণ হয়নি। ১৯৫৮ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলে প্রথম ও শেষবারের মতো খেলা। এরপর বিশ্বকাপতো বটেই বড় কোন টুর্নামেন্টেই আর খেলা হয়নি ওয়েলসের। তবে এবার সেই স্বপ্নটা পূরুণ হয়েছে তাদের। রিয়াল তারকা গ্যারেথ বেলের হাত ধরে প্রথমবারের ইউরো চ্যাম্পিয়নশীপের মূল পর্বে খেলা নিশ্চিত করেছে ওয়েলস। ৫৭ বছর পর স্বপ্নপূরণ হলো বড় কোন টুর্নামেন্টে খেলার।

শনিবার বাছাই পর্বে বসনিয়ার সঙ্গে ২-০ গোলে হেরেও চূড়ান্ত পর্বে উঠেছে ওয়েলস। বাছাই পর্বে এটিই ছিল তাদের প্রথম পরাজয়। অন্য ম্যাচে ইসরায়েল সাইপ্রাসের কাছে ২-১ গোলে হেরে যাওয়ায় নিশ্চিত হয়ে গেছে ওয়েলসের চূড়ান্ত পর্ব।

এমন প্রাপ্তিতে উচ্ছ্বসিত রিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা গ্যারেথ বেল, ‘এটা আমার ক্যারিয়ারের সেরা অর্জনগুলোর একটি। সেই ছোটবেলা থেকেই এই স্বপ্ন দেখে এসেছি, একদিন জাতীয় দলের হয়ে বড় কোনো টুর্নামেন্টে খেলব। এই স্বপ্ন কিন্তু এখানেই শেষ হয়ে যাচ্ছে না। ফ্রান্সেও (২০১৬ ইউরোর আয়োজক) আমাদের অনেক কাজ বাকি থাকল।’

ক্লাব ফুটবলে ওয়েলসের অনেক তারকা ফুটবলারেই মাঠ মাতিয়েছেন। কিন্তু হয়নি জাতীয় দলের জার্সিতে বৈশ্বিক কোন টুর্নামেন্টে খেলা। ম্যানইউতে দীর্ঘদিন খেলা রায়ান গিগসই সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় উদাহরণ। এই তালিকায় মার্ক হিউজ, ইয়ান রাশ, গ্যারি স্পিডরাও আছেন। ৫৭ বছরে ওয়েলসের কেউই পারেননি জাতীয় দলকে বড় কোনো টুর্নামেন্টে নিয়ে যেতে। এত দিন বাছাই পর্ব ছিল ব্রিটেনের অঙ্গভূত এই দেশটির জন্য হতাশার প্রতিশব্দ। ১৯৭৮ সালে বিতর্কিতভাবে তারা বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে জায়গা পায়নি। স্কটল্যান্ডকে অন্যায়ভাবে দেওয়া হয়েছিল একটি পেনাল্টি। আর তাতেই স্বপ্নের সমাধি।

অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে এবার ইউরোতে নাম লেখালো ওয়েলস। ফ্রান্সে অনুষ্ঠেয় ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে ভালো করতে মরিয়া বেল শিবির। ফ্রান্সেই আসল পরীক্ষা অপেক্ষা করছে বলে জানিয়েছেন রিয়াল তারকা। তবে এই মুহূর্তে গোটা ওয়েলসে বইছে আনন্দের ধারা। প্রথমবারের মতো বড় কোন টুর্নামেন্টের টিকিট পাওয়া বলে কথা।






মন্তব্য চালু নেই