মেইন ম্যেনু

৬৮ টাকার অকটন ৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে

আন্তর্জাতিক বাজার থেকে প্রতিলিটার অকটেন ৬৮ টাকা ৬৯ পয়সায় আমদানি করে তা দেশের বাজারে ৯৯ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। একইভাবে ৫০ টাকা ৬৭ পয়সায় ডিজেল আমদানি করে তা বিক্রি করা হচ্ছে ৬৮ টাকায়, ৫১ টাকা ৪ পয়সায় কোরোসিন আমদানি করে তা ৬৮ টাকায়, ৩৮ টাকা ৪৪ পয়সায় কেনা ফার্নেস অয়েল ৬০ টাকায় এবং ৫০ টাকা ৬১ পয়সায় কেনা জেট-এ-১ বাজারে ৬৭ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

রোববার জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ তথ্য জানান।

সংসদ সদস্য এ কে এম রহমতুল্লাহর অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য কমে গেলেও যেকোন মুহূর্তে তা বাড়তে পারে সে বিবেচনায় তাৎক্ষনিকভাবে মূল্য পুনর্নিধারন করা হয় না। জ্বালানি তেলের দাম কমালেও পরিবহন সেক্টরসহ অনান্য সেক্টরে এর প্রভাব পড়ে না।

তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেলেও জনগণের কথা চিন্তা করে সরকার স্থানীয় বাজারে কম-বেশি দরে মূল্য নির্ধারণ করে। কিন্তু দ্রব্যমূল্য, পরিবহন খাতসহ সকল স্তরে মূল্য বৃদ্ধির প্রভাব দেখা যায়।

একই প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন কোম্পানির গ্যাস উৎপাদন খরচ তুলে ধরেন। দেশি গ্যাস উৎপাদন কোম্পানিগুলোর মধ্যে বিজিএফসিএলের খরচ পড়ে প্রতি হাজার ঘনফুটে ১২ টাকা, এফজিএফএলের প্রতি হাজার ঘনফুটে ৬ টাকা ৪৩ পয়সা এবং বাপেক্সের আনুমানিক ১০০ টাকা।

অপরদিকে দেশে গ্যাস উৎপাদনের কাজে নিয়োজিত আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানি শেভরনের কাছ থেকে প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাস ২ দশমিক ৭৬২ মার্কিন ডলার এবং টাল্লো/ক্রিস এনার্জির কাছ থেকে প্রতি হাজার ঘনফুট গ্যাস ২ দশমিক ৩ মার্কিন ডলারে কেনা হয়।

প্রসঙ্গত, দেশে বর্তমানে দৈনিক গ্যাসের বার্ষিক চাহিদা এক হাজার ৭৬ বিসিএফ। এর বিপরীতে দৈনিক কমবেশি দুই হাজার ৭০০ ঘনফুট গ্যাস উৎপাদন ও সরবরাহ করা হচ্ছে।






মন্তব্য চালু নেই