মেইন ম্যেনু

৮০ কোটি টাকা আত্মসাতের চেষ্টা: ছয় জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

ভুয়া আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) দিয়ে এক প্রবাসীর ব্যাংক হিসাবে থাকা ৮০ কোটি টাকা তোলার চেষ্টার অভিযোগে এজাহারভুক্ত ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত তাঁদের পর্যায়ক্রমে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের উপপরিচালক আবদুস সোবহান।

যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তারা হলেন হাসিবুল হাসান, মিরাজুল ইসলাম, সাব্বির রহমান, শাহাবুর রহমান বাবুল, সেলিম আহম্মেদ ও মাহবুবুর রহমান কাজল।

চলতি বছরের ৮ মার্চ ওই ছয়জনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় মামলা করেন ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের আইন কর্মকর্তা শেখ তারেক। মামলার তদন্তের ভার আসে দুদকের ওপর। তদন্তের প্রয়োজনে জামিনে থাকা এই ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। মামলার আরও পাঁচ আসামি নজরুল হক, খোরশেদ আলম, দেলোয়ার হোসেন, মো. শাহজাহান ও কাজী মো. শাহাদত হোসেন কারাগারে রয়েছেন।

দুদক ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ব্যাংকটিতে কানাডাপ্রবাসী সাইফুল ইসলামের প্রায় ৯০ কোটি টাকার একটি মেয়াদি আমানত (এফডিআর) ছিল। সেখান থেকে ৮০ কোটি টাকা সরিয়ে নিতে জালিয়াতির আশ্রয় নেন ওই ১১ জন। সাইফুলের নাম ব্যবহার করে ভুয়া আমমোক্তারনামাটি তৈরি করে শাহাদতসহ কয়েকজন বেশ কয়েক দিন ধরে ব্যাংকটিতে ঘোরাঘুরি করেন।

পরে টাকা তোলার জন্য ওই আমমোক্তারনামাসহ কাগজপত্র ব্যাংকে জমা দেন কাজী শাহাদত। তখন সন্দেহ হওয়ায় ব্যাংকের পক্ষ থেকে বিষয়টি থানায় জানানো হয়। ব্যাংক কর্মকর্তারা টাকা নিতে শাহাদতদের ৮ মার্চ ব্যাংকে আসতে বলেন।

সে অনুযায়ী ওই দিন দুপুরে কাজী শাহাদতসহ দুজন টাকা তুলতে ব্যাংকে যান। তখন ব্যাংক কর্মকর্তারা তাঁদের জানান, ওই টাকা বহন করতে আরও লোক লাগবে। এতে শাহাদত আরও নয়জনকে ব্যাংকে ডেকে নেন। এ সময় আগে থেকে প্রস্তুত থাকা পুলিশ কর্মকর্তারা ওই ১১ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।

দুদক সূত্র জানিয়েছে, অভিযুক্তরা জালিয়াত চক্রের সদস্য। তাদের সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ছাড়া টাকা তুলতে পারলে কে কতো টাকার ভাগ পাবেন, তা নিয়ে ওই চক্রের সদস্যদের মধ্যে করা একটি চুক্তিনামার কপিও হাতে পেয়েছে সংস্থাটি।






মন্তব্য চালু নেই