মেইন ম্যেনু

দায়ীদের শাস্তির নির্দেশ মন্ত্রীর

৮ গাড়ি বিকলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অচল

মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে আটটি ফিটনেসবিহীন গাড়ি বিকল হয়ে পড়ায় ঢাকা-টাঙ্গাইল ও নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আশুলিয়ার নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল ত্রিমোড়ে শুক্রবার সকালে যানজট পরিস্থিতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী এ সময় ফিটনেসবিহীন গাড়ির মালিক-শ্রমিকদের প্রতি আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পুলিশকে নিদের্শ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান।

এবারের ঈদে সড়ক-মহাসড়কগুলোতে গাড়ির সঙ্কট আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে কোনো গাড়ির সঙ্কট নেই। এ ছাড়া সঙ্কট মোকাবেলায় ৭০টি বিআরটিসি বাস প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তবে রাজধানী থেকে ঘরফেরা মানুষকে রাস্তায় গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। রাস্তায় যানজটের কারণে সঠিক সময় গাড়ি না আসায় অনেককে রাস্তায় রাত কাটাতে হয়েছে।

গার্মেন্টস শ্রমিক রবিউল বলেন, ঈদ আসলেই গাড়ি সঙ্কট দেখিয়ে অসাধু গাড়ির চালক-কর্মচারীরা ইচ্ছামতো ভাড়া বাড়িয়ে দেয়। যে কারণে আমরা কষ্ট করে ঝুঁকি নিয়ে রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে বউ, ছেলে-মেয়ে নিয়ে গাড়ির ছাদে উঠে বাড়িতে যাওয়ার জন্য রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকি।

বাইপাইল এলাকার আব্দুল মজিদ বলেন, ঈদে স্থানীয় লেগুনা, পিকআপসহ ফিটনেসবিহীন গাড়ি দূর-দূরান্তে ভাড়ায় চলে যাওয়ায় বর্তমানে গণপরিবহন সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ঘন ঘন আশুলিয়া এলাকা পরিদর্শনে এলেও রাস্তাঘাটের বেহাল দশার কোনো পরিবর্তন হয়নি। এ ছাড়া রাস্তার পাশে কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় আশুলিয়ার আব্দুল্লাহপুর-বাইপাইল সড়কের ইউনিক এলাকায় একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তা তলিয়ে যায়। মাঝে মাঝে সড়ক ও জনপথের উদ্যোগে পাম্প বসিয়ে পানি নিষ্কাশন ও খানাখন্দের ইট ফেলা হলেও তা প্রয়োজনের তুলনা অপ্রতুল।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী গাজীপুরের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকার যানজট পরিদর্শন করতে যান। এ সময় ঢাকা জেলার পুলিশ সুপারসহ সড়ক ও জনপথের কর্তকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।






মন্তব্য চালু নেই