মেইন ম্যেনু

৮ বছরের শিশুর আঁকা ছবিতে হতবাক বিশ্ব, কেঁদেছেন অনেকে

যুদ্ধ বিধ্বস্ত সিরিয়া থেকে রাতের আঁধারে পালিয়ে আসা শহরজাদ হাসান নামের আট বছর বয়সী একটি শিশুর আঁকা ছবি বিশ্ব মানবতাকে নাড়িয়ে দিয়েছে। তার আঁকা ছবিতে এখন পুরো বিশ্বই হতবাক।

শহরজাদ হাসান তার ছবিতে ফুটিয়ে তুলেছেন কীভাবে রাতের অন্ধকারে সিরিয়া থেকে তাদের পালাতে হয় এবং কতটা বন্ধুর পথ অতিক্রম করে মেসেডোনিয়ার এই সীমান্তবর্তী অঞ্চলে আসতে হয়েছে তার বর্ননা। সে সব ছবি দেখে চোখের জল ফেলেছেন অনেকেই। ওই ছবিগুলোতে ফুটে উঠেছে নিদারুণ যন্ত্রণার একটা প্রতিচ্ছবি।

শহরজাদ হাসান বর্তমানে আছেন গ্রিস-মেসেডোনিয়া সীমান্তবর্তী ইদোমেনি শরণার্থী শিবির। সে তার আঁকা ছবিতে তুলে ধরেছেন ১৮ মাসের ভ্রমনে যত অভিজ্ঞতা। এটা এই সভ্যতার অভিশাপ যে, একটি শিশুকে আজ ফুল-প্রজাপতির ছবি না একে, আঁকতে হচ্ছে ট্যাংক-বিমানের মতো মানুষধ্বংসী অস্ত্রের ছবি।

সিরিয়া থেকে ইউরোপে আসতে বিভিন্ন সময় অনেক সংঘর্ষের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে শহরজাদের পরিবারকে। সেই সংঘর্ষগুলোর কোনোটিতে দলের অন্যরা আহত হয়েছে, আবার তাদের পরিবারও আহত হয়েছে। তবে আট বছরের এই শিশুর আঁকার খাতায় শুধু কষ্টকর ভ্রমনের দৃশ্যই নেই। পাশাপাশি রয়েছে ইসলামিক স্টেট (আরবে দায়েশ নামে পরিচিত) যোদ্ধাদের হাতে নির্যাতন ও দুর্ভিক্ষের দৃশ্যপটও।

তার আঁকাতে সে তুলে ধরেছে আগেয়ান থেকে আসার পথে শরণার্থী বোঝাই নৌকাডুবে যাওয়ার দৃশ্যে। মাত্র আট বছর বয়সী একটি শিশু প্রত্যক্ষ করছে অনেকগুলো মানুষের মৃত্যু শুধু তাই নয়, সেই স্মৃতি সে বয়ে বেড়াচ্ছে।

সিরিয়া থেকে প্রতিদিন গ্রিসের উদ্দেশ্যে যতজন মানুষ রওনা দেয়, তাদের মধ্যে মাত্র অর্ধেক মানুষ শেষমেষ পৌছুতে পারে। বর্তমানে প্রায় চল্লিশ হাজার শরণার্থী অস্ট্রিয়া এবং বলকার অঞ্চলগুলোর সীমান্তে আটকাবস্থায় আছেন। কারণ শরণার্থী প্রবেশে জার্মানির পর গ্রিস কঠোর অবস্থান নিলে সীমান্তগুলোতে অনেক শরণার্থীই আটকে যায়।






মন্তব্য চালু নেই