মেইন ম্যেনু

৯ মামলায় খালেদার জামিন

দারুস সালাম থানার নাশকতার আট মামলায় ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

বুধবার দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসান মোল্লা নাশকতার আট মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুর করেন।

মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত অভিযোগে দায়ের করা মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন আদালত।

মামলাটিতে আজ অভিযোগ আমলে নেওয়ার বিষয়ে এবং খালেদা জিয়ার উপস্থিতির জন্য দিন ধার্য ছিল। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা অভিযোগপত্র আমলে নেওয়ার বিষয়ে সময়ের আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে অভিযোগ আমলে নেন। তবে এ মামলায় পূর্বশর্তে জামিন পেয়েছেন খালেদা জিয়া।

রাজধানীর দারুস সালাম থানার নাশকতার নয়টি মামলায় আত্মসমর্পণ করতে বুধবার সকাল ১০টার দিকে খালেদা জিয়া তার গুলশানের বাসা ‘ফিরোজা ভবন’ থেকে আদালতের পথে রওনা দেন। বেলা পৌনে ১২টার দিকে তিনি আদালতে পৌঁছান।

আজ নাইকো দুর্নীতি মামলা, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতির মামলা ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় খালেদা জিয়ার আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ থাকায় আদালতে হাজিরা দিচ্ছেন তিনি।

নাশকতার নয়টি মামলাই রাজধানীর দারুস সালাম থানার। মামলাগুলোর মধ্যে গত ১১ মে দারুস সালাম থানার ৪(৩)১৫ এবং ৮(২) ১৫ নম্বরের দুই মামলায় খালেদা জিয়াসহ বিএনপির ৫১ নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। এরপর গত ২৬ মে দারুস সালাম থানার ৬(২)১৫ নম্বর মামলায় খালেদা জিয়াসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। গত ২৯ মে খালেদা জিয়াসহ ৫১ আসামির বিরুদ্ধে একই থানার আরো দুটি মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। সর্বশেষ গত ৬ জুন দারুস সালাম ২৯(২)১৫, ৫(২)১৫, ৩১(২)১৫ ও ৬২(১)১৫ নম্বরের আরো চারটি মামলায় খালেদা জিয়াসহ ১০৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। সবগুলো মামলায় খালেদা জিয়াকে পলাতক দেখিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করা হয়।

গত ৫ এপ্রিল তিনি রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করা নাশকতার দুই মামলা, গুলশান থানার একটি মামলা, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভিযোগে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা ও গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।

এ মামলাগুলো ছাড়াও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো, গ্যাটকো, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি, জিয়া চ্যারিটেবল ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট এই পাঁচটি দুর্নীতির মামলার অভিযোগপত্র দাখিলের পর বর্তমানে বিচারাধীন। মামলাগুলোর মধ্যে জিয়া অরফানেজ মামলা সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আত্মপক্ষ শুনানির পর্যায়ে রয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই