প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ভিড় এড়াতে আগাম কেনাকাটা

জমে উঠেছে রাউজানের ঈদের বাজার

দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ ধীরে ধীরে গনিয়ে আসছে। এই উৎসব ঘিরে রাউজানের প্রতিটি অভিজাত বিপনী কেন্দ্র ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণে সাজানো হয়েছে আকর্ষনীয় সাজে। অভিজাত মাকের্ট সমূহের দোকানীরা উঠিয়ে বাহারী সব ধরনের পোষাক ও পন্য। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের চাহিদা বিবেচনা মাথায় রেখে দোকানে সাজিয়ে রাখা হয়েছে নতুন নতুন ডিজাইনের দেশি বিদেশি কাপড় ছোপড়। উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণের সবচেয়ে বড় ঈদের বাজার রাউজান সদরের ফকিরহাট সংলগ্ন ও গহিরা চৌমুহনী এলাকায় গড়ে উঠা আধুনিক কয়েকটি মাকের্ট। আর দক্ষিণের রয়েছে নোয়াপাড়া পথেরহাট ও পাহাড়তলী চৌমুহনী। আলোচিত বাজার সমূহ পরিদর্শনে দেখা যায়, অনেকেই ঈদের কেনাকাটা আগে থেকে সেরে নিচ্ছে। বিশেষ করে মহিলারা বাচ্চাদের নিয়ে সাছন্দে ঘুরে ফিরে পছন্দের জিনিসপত্র কিনে নিচ্ছেন। নোয়াপাড়া পথেরহাটে ঈদের বাজার করতে আসা ফিরোজা বেগম বলেছেন, বর্ষায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও রজমানের শেষ পর্যায়ে ভিড় এড়াতে এখন তার মত অনেকেই আগাম কেনাকাটা সেরে নিচ্ছেন। এখানকার আমীর প্ল¬াজার অভিজাত দোকান লাইফ স্টাইলের মালিক মোহাম্মদ সুমন বলেছেন, তার দোকানে এবার উঠানো হয়েছে টিন এইজ যুবকদের পছন্দের সব রকম দেশি বিদেশি প্যান্ট, শার্ট, পাঞ্জাবী-পায়জামা। ক্রেতারা আসছেন কিনছেন পছন্দের কাপড়। রাউজান ফকিরহাট লাকি প্লাজার সবচেয়ে বড় কাপড়ের দোকান সাজনুর এর মালিক শফিকুল হক বলেছেন, এবার বর্ষা আতংকে মানুষ আগাম কেনাকাটা করছেন। বাজার ঘুরে দেখা যায় কাপড়ের দোকানের পাশাপাশি এখন ভিড় বেড়েছে কসমেটিক দোকান গুলোতে। গহিরা চৌমুহনী নাছির টাওয়ারের কসমেটিক দোকান পালকি’র মালিক মোঃ আরিফ বলেন, এ বৎসর নতুন নতুন ডিজাইনের মহিলাদের কসমেটিক সামগ্রী এসেছে, তবে এবার ঈদকে সামনে রেখে কেনাকাটার ভিড় বেড়েছে। মহিলারা এসব দোকানে ভিড় করে নিজের সাজ সজ্জার উপকরণ কিনে নিচ্ছে। উপজেলার উত্তর-দক্ষিণ দোকান মালিক সমিতির কর্মকর্তারা বলেন গত কয়েক বছর ধরে রাউজানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকায় এলাকার মানুষ শহর মুখি হচ্ছে না। তাছাড়া রাউজানের প্রতিটি বিপনী কেন্দ্রে শহরের অভিজাত মার্কেট এর মত সকল সুযোগ সুবিধা রয়েছে। তুলনামূলুক ভাবে সচ্ছল এই এলাকার মানুষের রুচি মাথায় রেখে দোকানীরাও সাধ্যমত দোকান সাজিয়েছেন। উল্লেখ করা যেতে পারে যে, গত দুই দশকে রাউজানের দুই প্রান্তে বেশ কয়েকটি অভিজাত বিপনী কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। তারমধ্যে ফকিরহাটের ডিইউ শপিং কমপে¬ক্স, তাহের প্লাাজা, সিটি প্লাজা, হক প্লাজা. চৌধুরী মার্কেট, নাছির টাওয়ার, আনোয়ার শফিং কমপ্লেক্স, নোয়াপাড়ার ভারতশ্বরী প্লাাজা, আমীর মার্কেট, আমীর প্লাজা, খায়েজ শপিং সেন্টার, ইব্রাহিম সোবান টাওয়ার, পাহাড়তলীর রহমান প্লাজা, এমওয়াই প্লাজা উল্লেখযোগ্য।



মন্তব্য চালু নেই