মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির সক্ষমতা বাড়ছে

মিয়ানমার সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিশেষ সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে।

এ জন্য ২৬ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ানো হচ্ছে ম্যানেজমেন্ট ইক্যুইপমেন্ট ফর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ প্রকল্পের। বিজিবির জন্য সীমান্তে চলাচল উপযোগী যানবাহন ও আধুনিক সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রকল্পটি সংশোধন করা হচ্ছে। মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে সংশোধিত প্রকল্পটি উঠবে বলে জানা গেছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি বিজিবির নায়েক আবদুর রাজ্জাককে অপহরণের ঘটনায় বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যৎ সতকর্তা হিসেবে প্রকল্পটি সম্প্রসারিত করা হচ্ছে। এ বিবেচনায় ব্যয় বাড়ছে বর্ডার ম্যানেজমেন্ট ইক্যুইপমেন্ট ফর বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ প্রকল্পের। মূল ব্যয় ২১ কোটি ৫০ লাখ টাকা থেকে ৪৭ কোটি ৫০ লাখ করার প্রস্তাব করা হয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। সেই সঙ্গে বাস্তবায়নকাল এক বছর বাড়িয়ে ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে।

প্রকল্পটির প্রস্তাবনা থেকে জানা গেছে, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে অবস্থিত বিজিবির সীমানা চৌকিগুলোতে লজিস্টিকস সাপোর্টের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য হুমায়ুন খালিদ জানান, বিজিবি বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ সীমান্ত রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। এ প্রকল্পের মাধ্যমে সংস্থাটির জন্য আধুনিক লজিস্টিকসের সংস্থান করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিস্তীর্ণ সীমান্ত সুরক্ষায় সরকারের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে প্রকল্পটি ইতিবাচক অবদান রাখবে।

সংশোধিত এ প্রকল্পে বিজিবির জন্য সীমান্তে চলাচল উপযোগী যানবাহন ছাড়াও জিপিএস মেশিন, থারমাল ইমেজিং বাইনোকুলার, নাইট ভিশন গগলস, হ্যান্ড হেল্ড মেটাল ডিটেক্টর, স্যাটেলাইট ফোনসহ বিভিন্ন আধুনিক সরঞ্জাম সংগ্রহ করা হবে।



মন্তব্য চালু নেই