রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থা ইউএসজিএসের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারের মাওলায়েকের ৪০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৩।

ভূপৃষ্ঠের ১০৬ দশমিক ৩ কিলোমিটার গভীরে এ ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়। তাৎক্ষণিকভাবে এতে ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেলের দিকেই রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৭ মাত্রার কম্পন অনুভূত হয় ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি ও এর আশপাশের এলাকায়।

২০ আগস্ট ৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয় জাপানে।

গেল জুলাইয়ে জিওসায়েন্স জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা প্রতিবেদনে আশঙ্কা করা হয়েছে, রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে রয়েছে বাংলাদেশ।

গবেষকরা আশঙ্কা করছেন, যেহেতু এখানে গত ৪০০ বছর ধরে শক্তি সঞ্চয় হচ্ছে, ফলে তা যেকোন সময় রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার মতো শক্তিশালী একটি ভূমিকম্প তৈরি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকজন ভূপদার্থবিদ ভারতীয় উপমহাদেশের নিচে একটি অঞ্চল চিহ্নিত করেছেন, যেখানে একটি টেকটনিক প্লেট অন্য এটি প্লেটের উপর ক্রমশ চেপে বসছে। এ ধরনের অঞ্চলকে বিজ্ঞানীরা সাবডাকশন জোন বলছেন।

২০০৪ সালের প্রলয়ঙ্করী সুনামি ও ২০১১ সালে জাপানের ভূমিকম্পেও এই একই ধরনের সাবডাকশন জোনের ভূমিকা ছিল।

তবে কবে এই ভূমিকম্প আঘাত হানতে পারে সে বিষয়ে কোনো ধারণা নেই বিজ্ঞানীদের। তারা বলছেন, এরজন্য ৫শ বছর সময়ও লেগে যেতে পারে।



মন্তব্য চালু নেই